
নিজস্ব প্রতিবেদক ::: বরিশাল জেলা পুলিশে কর্মরত এএসআই সোহেল রানার অশ্লীল রেকর্ডিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় বইছে নগরীজুড়ে। ঝালকাঠি জেলার প্রতাপ গ্রামের পিল্লাত বাড়ির সুন্দরআলীর ছেলে সোহেল রানা বরিশাল জেলা পুলিশে কর্মরত আছে। এএসআই সোহেল রানা স্ত্রী সন্তান নিয়ে বরিশাল নগরীর ধান গবেষণা রোডে বসবাস করেন।
নারীদের কুপ্রস্তাব দেয়া ও অশ্লীল ভয়েস ম্যাসেজ পাটানো যেনো তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী নারী বলেন, বরিশাল জেলা পুলিশে কর্মরত এএসআই সোহেল রানার সাথে একটি বিবাহ অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়। এরপর থেকেই অনবরত আমার মোবাইলে অশ্লীল সব কথাবার্তা লিখে এসএমএস করতে থাকে। এমনকি আজেবাজে প্রস্তাব দিয়ে ভয়েস এসএমএস পাঠায় এএসআই সোহেল রানা।
আরেক নারী ছদ্মনাম (রুনা) বলেন, এএসআই সোহেল রানা দীর্ঘদিন যাবত আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছেন। মানসন্মানের ভয়ে মুখ খুলিনা।
তিনি আরও বলেন, চারিত্রিক সমস্যা তাদের পারিবরিক। তার অবৈধ প্রস্তাবের সকল ডকুমেন্টস প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।
সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার প্রতাপ ইউনিয়নে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, সাত বছর আগে সোহেল রানার বাবা সুন্দরআলী ও তার ভাই ছেলে জুয়েল একই নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হয়। তখন ওই ঘটনার জানাজানি হলে গ্রাম্য শালিসে ছেলে জুয়েলকে তেজ্য পুত্র করে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইলে কল করলে সাংবাদিক শুনে লাইনটি কেটে দেয় সোহেল রানা।
এবিষয়ে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন বলেন, অপরাধ যেই করুক কোনো ছাড় নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ২২৫