• ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবন বাজি রেখে রাজপথে জিয়া উদ্দিন সিকদার: দুঃসময়ের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সর্বমহলে মূল্যায়ন

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ণ
জীবন বাজি রেখে রাজপথে জিয়া উদ্দিন সিকদার: দুঃসময়ের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সর্বমহলে মূল্যায়ন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

রিপন রানা, বরিশাল::বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের দুঃসময়ে রাজপথের এক অকুতোভয় লড়াকু সৈনিক হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সর্বমহলে মূল্যায়িত হচ্ছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া।

হামলা-মামলা কিংবা জীবনের ঝুঁকি—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি তৃণমূলের এই কর্মীবান্ধব নেতাকে।

স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের শাসনামলে বিএনপির যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন জিয়া উদ্দিন সিকদার। দলের কঠিন সময়ে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।

বিগত বছরগুলোর রাজপথের তীব্র আন্দোলন চলাকালীন তৎকালীন সরকারি দল ও পুলিশের নানা দমন-পীড়নের মুখোমুখি হন তিনি।

নথুল্লাবাদ এলাকায় বিএনপির
কর্মী আলামিন ও রেজা জানান, রাজপথের মিছিলে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নৃশংস হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।

রুপাতলীর বিএনপির কর্মী তামিম খান ও সাগর খান বলেন, জুলাই আগষ্টের আন্দোলন সংগ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুশয্যায় ছটফট করেছেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় আইসিইউ এবং হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে আবারও তিনি বরিশালের মাটিতে পা রাখেন। সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে না বসে, সেই শারীরিক অসুস্থতা ও ক্ষত নিয়েই তিনি পুনরায় নেতাকর্মীদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন।

নগরীর রুপাতলী গ্যাস্টারবাইন এলাকার বাসিন্দা রমজান খান ও তৃণমূলের কর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,”জিয়া ভাই শুধু নেতাই নন, তিনি আমাদের অভিভাবক। যেদিন আওয়ামী লীগের নৃশংস হামলায় তাঁর জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সেদিন পুরো বরিশাল বিএনপি স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায়ও তাঁর মন পড়ে থাকত মাঠের কর্মীদের কাছে।

ভিন্ন মতাদর্শের সাধারণ মানুষও স্বীকার করছেন যে, নিজের দলের আদর্শের জন্য এভাবে জীবন বাজি রেখে রাজনীতি করা নেতা বর্তমান সময়ে বিরল। রক্তক্ষয়ী হামলা কিংবা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই নেতার রাজনৈতিক সততা ও অদম্য সাহস বরিশালের ইতিহাসে দীর্ঘকাল অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।