
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে (বিশেষ করে ফেসবুক ও টিকটকে) সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে কুৎসা রটানো এবং বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সস্তা ভিউ ও রিচ পাওয়ার জন্য এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা হচ্ছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি দপ্তরে বা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেকোনো নাগরিক বা রাজনৈতিক প্রতিনিধি দাপ্তরিক বা আইনি প্রয়োজনে যাতায়াত করতেই পারেন। কিন্তু সেই যাতায়াতের সাধারণ ছবিকে বিকৃত উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করে সাইবার বুলিং করা ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সম্মানের ওপর বড় আঘাত। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের পরিবার মারাত্মক মানসিক এবং সামাজিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুমতি ছাড়া কারও ছবি ব্যবহার করে মানহানিকর বা অসত্য তথ্য প্রচার করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভুক্তভোগীরা এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন বা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সাধারণ ব্যবহারকারীদের যেকোনো আকর্ষণীয় বা চাঞ্চল্যকর ফেসবুক পোস্ট দেখেই তা বিশ্বাস বা শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৯৮