• ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে এএসআই বোরহানের অপরাধের মাসুল গুনছেন স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ শাওন

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত আগস্ট ২০, ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
বরিশালে এএসআই বোরহানের অপরাধের মাসুল গুনছেন স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ শাওন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক,বরিশাল:: বরিশালে দুই আসামি আটকের ঘটনায় এএসআই বোরহানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জেরেই কি শেষ পর্যন্ত স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. কাজী শাওনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে? এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।

গত ১৬ আগস্ট দিনগত রাতে বরিশালের চাঁদমারি এলাকা থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বোরহান। অভিযোগ রয়েছে, আটকের পর তাদের নিয়ে পুলিশের টহল গাড়িতে ঘোরাঘুরি এবং পরবর্তী সময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।

তবে এ বিষয়ে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. কাজী শাওনের দাবি, দুই ব্যক্তিকে আটক ও ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ ফাঁড়ির অধীনস্থ পুলিশের সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডের দায়ভার শেষ পর্যন্ত ইনচার্জকেই নিতে হচ্ছে।

তার এমন বক্তব্যের সত্যতা খুজতে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে গেলে একাধিক সদস্যের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমাদের ইনচার্জ এসআই মো. কাজী শাওন স্যার দুই ব্যক্তিকে আটক ও ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না।

এমনই অভিযোগ ওঠে এসআই শাওনের বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর সোমবার গভীর রাতে তাকে স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

প্রশ্ন উঠেছে, এএসআই বোরহানের কর্মকাণ্ডের দায় কি শেষ পর্যন্ত গড়াল ফাঁড়ির ইনচার্জ শাওনের ওপর? নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও কোনো ঘটনা? বিষয়টি নিয়ে এখনো পরিষ্কার কোনো বক্তব্য দেয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

শাওনকে প্রত্যাহারের পর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এএসআই মহিউদ্দিনকে।

এদিকে, দুই আসামিকে আটক ও ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এএসআই বোরহানের ভূমিকা এবং পুরো ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখার দাবি উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।