
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল : বরিশালে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় স্থানীয়দের অভিযোগে টিকটকার মাহিয়া মাহি গ্রুপের ৮ সদস্যকে আটক করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ। শুক্কুরবার রাত আনুমানিক ৪ টার সময় জিয়া সড়ক এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, পিরোজপুর উপজেলার ভান্ডারিয়া থানাধীন এলাকার বাসিন্দা জালাল হাওলাদারের ছেলে রুবেল হোসেন (১৯), বাকেরগঞ্জ থানাধীন শোভাকাঠী’র বাসিন্দা ইদ্রিস খলিফার মেয়ে টিকটকার ইশরাত জাহান (ইতু), বৃষ্টি আক্তার(১৯) পিতা শাহাদাৎ হোসেন, তারিন(২০) পিতা শহিদুল ইসলাম,সাইমুন আহম্মেদ (১৯) পিতা শামীম হাওলাদার,মানিক (২০) পিতা মৃত্যু সোহরাব বিশ্বাস, মোঃ রাব্বি মোল্লা (২৫) পিতা জসিম মোল্লা, সাং রুপাতলী, ও জেডিআর (JDR) Dance group এর পরিচালক মোঃ রাজিব হাওলাদার (২৮) পিতা মৃত্যু বশির হাওলাদারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানাযায় গত (২৯ আগষ্ট) পোর্ট রোড ভূমি অফিসের বিপরীর হোটেল রোদেলায় দীর্ঘদিন কেবিনে থাকার পরে কেবিন বুকিংয়ের টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করায় মাহিয়া মাহিকে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা মিন হা’রুল ইসলাম নামে এক যুবক বলেন, বরিশালের বাহির থেকে শহরে এসে এই টিকটকার মাহিয়া মাহি গ্রুপের সদস্যরা প্রভাবশালী-ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে তাদের সাথে মিশে কৌশলে নগরের নামিয় আবাসিক হোটেল আটকিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে যায় ।
এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক ও ফেসবুকে অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ করে । এমনকি বরিশাল থেকে মোটাঅংকের টাকার বিনিময়ে কুয়াকাটায় গিয়ে রাত্রিযাপন করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।
সবশেষ বরিশাল নগরীর আবাসিক হোটেল রোদেলা থেকে তাদের অন্যতম সদস্য মাহিয়া মাহি আটক হলে তারা আতংকিত হয়ে পড়েন । এর পর বেশকিছু দিন তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে আড়ালে চলে যায়। তবে বেশকিছুদিন পরে তারা ফের বীর দর্পে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অশ্লীলপানা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আটকের বিষয়টি আলোকিত সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি আরো বলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৪৮৬