
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল :: বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় এক ঘণ্টার যৌথ প্রচেষ্টায় সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ভোরে কেডিসি এলাকার মায়া বেগমের বসতঘরে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে পুরো ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে আগুন আশেপাশের ঘরবাড়িতে ছড়াতে পারেনি।
ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিক মায়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার ছেলে রানা সাউন্ড সিস্টেম ও বক্সের ব্যবসা করেন। ঘরে থাকা ব্যবসার বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক মালামাল, নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তাদের অন্তত ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল আল আমীন দৈনিক আলোকিত সংবাদকে বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের তিন স্টেশনের ৬টি ইউনিটের যৌথ প্রচেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও কেডিসি কলোনির আশেপাশের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তিনি এই সফলতার পেছনে স্থানীয়দের অবদানের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, “এটি একমাত্র স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের চমৎকার পারস্পরিক সহযোগিতার ফলেই সম্ভব হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সবাই এগিয়ে না এলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারত।
সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ১২৭