• ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে রোগীর মৃ’ত্যু সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিকরা

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত জুলাই ৬, ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বরিশালে রোগীর মৃ’ত্যু সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিকরা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় আবদুর রহিম (৪৫) নামের এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্টাফদের তোপের মুখে পড়েন সাংবাদিকরা। এ সময় তাদের সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া ও নানান কটুক্তিমূলক কথা বলা হয়।

শনিবার রাত ১১টার দিকে হাসপাতালটির নতুন ভবনের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ ওঠা ওই আবদুর রহিম পিরোজপুরের স্বরুপকাঠির বাসিন্দা। গত বৃহস্পতিবার তিনি জ্বর নিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি হন তিনি। তাঁর স্বজনদের দাবি, আবদুর রহিম সন্ধ্যায়ও দিব্বি সুস্থ অবস্থায় হাটাচলা করছিলেন। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক তার শরীরে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষন পরে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ খবরে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বাকবিতন্ডা হয়। এমনকি তার ভর্তি ফাইলটিও সরিয়ে ফেলা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সাংবাদিকরা।

এ সময় ভবনের চতুর্থ তলায় উঠে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বাধা দেন হাসপতালের স্টাফ ওমর ফারুক। তিনি বিভিন্নভাবে সংবাদ সংগ্রহে বাধা দিতে থাকেন এবং অশ্লিল অঙ্গিভঙ্গি করতে থাকেন। এমনকি সাংবাদিকদের নিয়ে নানান কটুক্তিমূলক কথা বলেন। পরে আরেকজন স্টাফ এসে ওমর ফারুককে অনত্র পাঠিয়ে দেন। এরপর সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।City & Local Guides

কালবেলার ক্যামেরাপারসন আবদুর রহমান বলেন, ‘গতকাল রাতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবরে কয়েকজন সাংবাদিক বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ সময় ভবনের চতুর্থ তলায় উঠে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ওমর ফারুক নামের হাসপতালের একজন স্টাফ বাধা দেন। তিনি বিভিন্নভাবে সংবাদ সংগ্রহে বাধা দিতে থাকেন এবং অশ্লিল অঙ্গিভঙ্গি করতে থাকেন। এমনকি সাংবাদিকদের নিয়ে নানান কটুক্তিমূলক কথা বলেন। পরে আরেকজন স্টাফ এসে ওমর ফারুককে অনত্র পাঠিয়ে দেন।

এসব বিষয়ে জানতে হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। এছাড়া হাসপাতালে সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।