• ৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে এসআই মহিউদ্দিনকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করছে একটি চক্র

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত জুলাই ৫, ২০২৬, ০০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বরিশালে এসআই মহিউদ্দিনকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করছে একটি চক্র
সংবাদটি শেয়ার করুন....

রিপন রানা, বরিশাল :: বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের সাবেক উপ-পরিদর্শক মোঃ মহিউদ্দিন মাহিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার করছে একটি চক্র। এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো সাব-ইন্সপেক্টর মহিউদ্দিনের কাজ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া।

অপপ্রচারকারীদের দাবীকৃত টাকা না দিলে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালাবে বলেও দাবি করেন নেটিজেনরা। তবে নেটিজেনদের দাবি,এসব অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

এসআই মহিউদ্দিন দাবি করেন যে, তাঁর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। বিচার বিভাগীয় তদন্তে তিনি ও অন্যান্য অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর আদালত ২০২২ সালের ৩০ জানুয়ারি মামলাটি খারিজ করে দেন। তিনি জানান, আদালতের চূড়ান্ত রায়ের পরও একটি চক্র ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে পুরনো ও মীমাংসিত ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মহিউদ্দিন মাহি তার নিজ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটার্সে নিজেকে নির্দেশ দাবি করে লিখেন,প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষীগন সকলে সালাম নিবেন। আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, আমি বিএমপি বরিশালে কর্মরত থাকাকালে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ও মামলা তদন্তের জন্য পুরস্কার হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক, সাহসীকতা (পিপিএম) প্রাপ্ত হই। তাহারই ধারাবাহিকতায় একাধিক মাদক মামলার আসামি মোঃ রেজাউল করিম রেজাকে মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার পূর্বক ইং ২৯/১২/২০২০ খ্রি. তাহার নামে মামলা দায়ের করি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা তাহাকে জেল হাজতে প্রেরন করেন। কারাগারে থাকাকালীন রেজা কয়েকদিন পর কার্ডিয়াক এনিমিক ফেইলর ( স্টোক) করে মৃত্যু বরন করেন।

এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রেজার বাবা আমি সহ অভিযানের টিমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে প্রথমে পিবিআই তদন্ত করেন। পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্ত হয়। বিচার বিভাগীয় তদন্তে আমরা নির্দোষ প্রমাণিত হইলে, মহামান্য আদালত গত ৩০/০১/২০২২ তারিখ মামলাটি খারিজ করে দেন (সকলের অবগতির জন্য মহামান্য আদালতের আদেশের কপি সংযুক্ত করিলাম)।

মহামান্য আদালত কর্তৃক নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় পর আমার কর্তৃক গ্রেফতার হওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ভাবে আমাকে হয়রানি করেন। এতেও ক্ষ্যান্ত না হয়ে এতদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে পূনরায় উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের প্রলোভনে প্রভাবিত হয়ে একটি ফেইসবুক পেজ উক্ত রেজার মৃত্যু নিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন পোস্ট আপলোড করেন। মহামান্য আদালত কর্তৃক নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় পরও যদি কেহ আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেন। তাহলে নিশ্চয়ই সেটা মহামান্য আদালত অবমাননার শামিল। উক্ত পোস্ট আপলোড করায় বিভিন্ন অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন রকমের কমেন্ট করেন। যাহারা মহামান্য আদালতের আদেশের পরও আমার নামে ফেইসবুক পেজে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন রিপোর্ট উপস্থাপন করিতেছেন, তাহারা সনাক্ত, তাহাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।