• ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে এনএসআই’র তথ্য সূত্রে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান: নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ২২:২৫ অপরাহ্ণ
বরিশালে এনএসআই’র তথ্য সূত্রে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান: নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক ::: বরিশাল নগরীর পাঁচটি গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া আরো ৪ ব্যবসায়ীকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ শাফিনুর রহমান আকন্দ এ দণ্ডাদেশ ও জরিমানার আদেশ দিয়েছেন।

এক বছর দণ্ডিত ব্যবসায়ী হলেন বরগুনার কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা হযরত আলী সিকদারের ছেলে ও নগরীর পোর্ট রোড এলাকার নিউ ভাই ভাই ষ্টোরের মালিক আমিরুল ইসলাম (৪০)।

জরিমানা দেয়া ব্যবসায়ীরা হলেন- আমিরুল ইসলাম ও তার ভাই জহিরুল ইসলাম, একই এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে জাকির হোসেন ও নগরীর পলাশপুরের বাসিন্দা রশিদ সিকদারের ছেলে আ. ছালাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ শাফিনুর রহমান আকন্দ জানান, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যানুযায়ী নগরীর পোর্ট রোড এলাকার জাল বিক্রির দোকানের পাচটি গুদামে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পাঁচটি গুদাম থেকে ৪০ বস্তা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও ১৬ বস্তা কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৬ লাখ টাকা। নিষিদ্ধ এসব জাল বিক্রির জন্য মজুদ করায় চারজনকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনকে এক বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকৃত জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পোর্ট রোড ও পলাশপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল বিক্রি করে আসছেন। তবে এসব দোকানে নৌ পুলিশ বা মৎস্য কর্মকর্তাদের কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায় না। বিভিন্ন সময় মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই হরদমে নিষিদ্ধ ঘোষিত চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল বিক্রি করেন।

এনএসআই’র তথ্যসূত্রে জেলা প্রশাসকের ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান ও এনএসআইকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী পথচারীরা।