• ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১লা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশাল ও ঝালকাঠিতে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের অভি‌যোগ

"আলোকিত সংবাদ ডেস্ক"
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৩:২২ অপরাহ্ণ
বরিশাল ও ঝালকাঠিতে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের অভি‌যোগ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও ঝালকাঠীতে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে উঠেছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আন্ধারমানিক (কলকুঠি) মাদরাসার সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। জামায়াতের অভিযোগ, তা‌দের মি‌ছি‌লে বিএন‌পির কর্মীরা হামলা ক‌রে‌ছে। হামলার সময় তাদের ৫-৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে।

আহতরা হলেন- কাজিরহাট থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ডা. শাহেদুল ইসলাম, শিবিরকর্মী লিটন কাজী, মহিবুল্লাহ ও আলাউদ্দিন। তাদের পাশের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতর একটি কার্যালয় ও এক সমর্থকের গোডাউনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের। দলটির দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে আগুন দিয়ে ওই স্থাপনাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামও সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনকে ভয় দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অফিস পুড়িয়ে দিয়ে জনগণের রায় বদলানো যাবে না। নির্বাচনের আগে সব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।

রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম ব‌লেন, ‘দ্বিতল টিন‌সে‌ডের ঘর‌টি‌তে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার ওপর দি‌য়ে বৈদ্যুতিক সং‌যোগ গে‌ছে। তাই তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা নি‌শ্চিতভা‌বে বলা যা‌চ্ছে না। বিষয়‌টি‌কে গুরু‌ত্বের স‌ঙ্গে দেখা হ‌চ্ছে।’

আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে।’

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।’