
নিজস্ব প্রতিবেদক,বরিশাল:: বরিশালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীর সাথে দীর্ঘদিনের শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরবর্তীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে এক প্রতারক যুবক উধাও হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার পাইকখালী গ্রামের হারুন আর রশিদের ছেলে পলাশ ফকিরের সাথে পরিচয় হয় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার দক্ষিণ করুনা গ্রামের কাকলী আক্তারের (ছদ্মনাম, ৩৩)। পরিচয়ের পর থেকেই অভিযুক্ত পলাশ নিজেকে একটি প্রশাসনিক স্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তরুণীর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে।
পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঢাকাসহ বরিশালের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরাঘুরি এবং বন্ধুদের বাসায় নিয়ে ওই তরুণীর সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় পলাশ।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, দীর্ঘ প্রায় এক দশকের এই সম্পর্কের বিভিন্ন সময়ে পলাশ তার প্রশাসনিক কাজের অজুহাত ও ব্যক্তিগত নানা সমস্যা দেখিয়ে তরুণীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে তরুণী তাকে সামাজিকভাবে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে পলাশ নানা ধরনের অযুহাত ও টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তরুণীর সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে নগদ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় এই প্রতারক যুবক।
ভুক্তভোগী তরুণী বর্তমানে চরম প্রতারণা ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এই প্রতারণার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং অভিযুক্ত পলাশ ফকিরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।
সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ১৩১