নিজস্ব প্রতিবেদক,বরিশাল ::: বরিশাল বিভাগীয় শেবাচিম শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল মুক্ত চায় রোগী ও স্বজনরা এক দালালকে পুলিশে দিল স্বজনরা।
গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুর আনুমানিক দুই টার সময় শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা হেলথ্ এইড মেডিকেল সার্ভিসের এক দালালকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে রোগীর স্বজনরা।

শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন মুরাদ হোসেন বলেন, বরিশাল সদর উপজেলা চরমোনাই ইউনিয়ন থেকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার আশিউর্ধো বৃদ্ধ দাদাকে চিকিৎসা করানো জন্য নিয়ে আসেন।কিন্তু ইমার্জেন্সী গেট আসলেই দালালদের খপ্পরে পড়ে যান।
তিনি বলেন, ইমার্জেন্সী গেটের টিকিট কেটে ভর্তি করা শুরু থেকে ও মেডিসিন বিভাগে বেড দেওয়ার কথা বলেন। এছাড়া মেডিসিন বিভাগের ডিউটিরত ডাক্তার টেস্ট পরিক্ষা শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করার জন্য বলেন।
কিন্তু হেলথ্ এইড মেডিকেল সার্ভিসের দালান হারুন তাকে বলেন, শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টেস্ট পরিক্ষা করালে একদিন পড়ে পাবেন।
এধরণের কথাবার্তা শুনে আমার সন্দেহ হলে আমি তাকে প্রশ্ন করি যে আপনি এতক্ষণ ধরে আমাদের সহযোগিতা করলেন কেনো? উত্তরে রোগীর দালাল হারুন বলে আমি হেলথ্ এইড মেডিকেল সার্ভিসের লোক, আপনাদেরকে কম খরচে এই ল্যাব থেকে টেস্ট গুলো করিয়ে দেই।
রোগীর স্বজন আরও বলেন, আমি বাহিরে টেস্ট পরিক্ষা করাতে অস্বীকার করলে আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমরা তাকে মেডিকেলের ডিউটিরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় আটক করে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করি।
দুলাল নামে এক বৃদ্ধ বলেন, শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে দালালদের খপ্পরে পড়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে প্রতারণা, অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অভিযোগ করেন।
এবিষয় বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হারুন নামে এক যুবককে রোগীর স্বজনরা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেনি। আমরা তাকে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রিপন হাওলাদার
ঠিকানা: ইসরাফিল ভিলা (তৃতীয় তলা), ফলপট্টি রোড, বরিশাল ৮২০০।
মোবাইল: 01721-976302 ইমেইল: alokitosangbad8200@gmail.com
© Copyright, All Rights Reserved